বিদায়ী কাব্য
_____________________________________
- নাজমুস সাঈদ
আজকে বিদায় বেলায়-
এক হয়েছি আমরা সবাই প্রান্ত মিলনমেলায়,
আগামির ফুল ফোটাবি তোরাই
কুসুমে ফোটাবি প্রাণ
দেশও জাতির কান্তারি তোরা
প্রাণের রাখবি মান।
ভবিষ্যতের তোরাই কবি,তোরাই সাহিত্যিক
তোরাই জাতির বিবেকবোধ আর তোরাই দিক্বিদিক।
এখান থেকে বিদায় নিয়ে হাটবি নতুন পথে
ছিটিয়ে যাবি দিক্বিদিকে কেউ রবিনা সাথে।
স্মৃতির পাতা উল্টালে তবু পাবি আমাদের নাম,
নিন্মে পড়ে থাকলে কেহ দিবিনা তার দাম?
বড় হো তবু আকাশ সমান এই আশাতেই থাকি,
তোদের সবার জন্য আমি সুভকামনা রাখি;
জাতীর মুক্তি,জাতির প্রাপ্তি তোদের প্রত্যাশাতে
সম্মান তব জাতিসত্তার বইবে তোদের সাথে।
তোরা মুক্তির কান্ডারী দূত তোরাই তরুন সমাজ,
অতিতের কথা মনে করে বাচ
মনে মনে পাবি পরিমিত লাজ
তোদের বয়সে দিয়ে গেছে তারা তরুন তাজা প্রাণ,
তোরাও দিবি রাখতে সদা জাতিসত্মার মান।
জাতির বিবেক ম্লান করে আজ খুন হয় ছোট শিশু,
হে ভবিষ্যতের কর্নধারী করার কি নেয় কিছু?
অন্যায় আর অত্যাচারের করে যাবি প্রতিবাদ
জীবন দিয়েই নিয়ে যাবি তোরা মুক্তির মহাস্বাদ।
পারববিনা আজ কথা দিতে তোরা চলবিনা ভুল পথে?
বন্ধুগণ চল হাত তুলি আজ এই মহাশপথে-
চলব সদা নির্ভীক আর সত্যনিষ্ঠ মনে
বিবেকবোধ এর মৃত্যু হতে দেবনা কনোক্ষনে,
রাখব জাতির সম্মান আর জাতিসত্তার মান
দরকার হলে দিয়ে যাবো সবে আমাদের তাজা প্রাণ,
ঘুষের টাকায় গড়বোনা কেহ সম্পদেরই পাহাড়,
ন্যায়বোধটুকু দেবনা ক্ষয়িতে যদিওনা জোটে আহার।
অনেক দিনের পথচলাতে রইলি মোদের সাথে,
নতুন আশার দিশাই তোরা ছুটবি নতুন পথে,
পিছন ফিরে দেখবিনা কভু কি আছে স্মৃতির পাতাই
দেখবিনা কভু কি লেখা আছে মুক্ত মনের খাতাই।
সবার কথা ভেবে আজ তোরা খুলে দে নিজ মন
কত আশাই বুক বেধেছে তোদের আপনজন।
দেখেছিস কি তাকিয়ে কভু মায়ের চোখের দিকে?
কত আশা, স্বপ্ন কত বয়ছে একেবেকে।
তোরাই দিবি মায়ের চোখের প্রতি ফোটার দাম,
দেশজনতা বন্ধুসকল করবে তোদের নাম।
শেষের বেলা দূঃখ নিয়ে বলছি আপন মনে,
তোদের কথা পড়বে মনে পুড়বো ক্ষনে ক্ষনে,
স্বরবো তবু তোদের কথা পড়ে মোর এই পদ্য-
স্মৃতির পাতাই রয়ে যাবে নাম,হবে তা অবিচ্ছেদ্য।
(উৎসর্গঃ কোর কেয়ার কোচিং এর বিদায়কালে বন্ধুদের )